কাউন্সিলরদের শোকজ নোটিশ
সভায় অনুপস্থিত থাকায় ২১ কাউন্সিলরকে কারণ দর্শাও নোটিস পাঠানো হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের। তিনটির বেশি অনুপস্থিত থাকায় এ নোটিস দেওয়া হয়েছে।
তাদের মধ্যে ১৯ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আর দুজন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাদের চিঠির জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সচিব মোস্তফা কামাল মজুমদার বলেন, “আজ আমরা নোটিস পাঠিয়েছি। জবাব সন্তোষজনক না হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। মন্ত্রণালয় তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।”
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো মেয়র অথবা কাউন্সিলর পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাকে অপসারণ করা যাবে।
দক্ষিণ সিটির কর্মকর্তারা জানান, কাউন্সিলররা নির্বাচত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ২০টি সভা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু ১৫টি সভাতেই অনুপস্থিত ছিলেন। ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. হাসান ছিলেন না ১৪টি সভায়।
১১টি সভায় অনুপস্থিত ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারিকুল ইসলাম সজীব এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিল্লাল শাহ। ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আশ্রাফুজ্জামান ১০টি সভায় অংশ নেননি। এছাড়া ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আরিফ হোসেন ৯টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম রাসেল এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জসীম উদ্দিন আহমেদ ৮টি করে সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
১৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর রাশিদা পারভীন মনি ১২টি এবং ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোসা. শিউলী হোসেন নয়টি সভায় অংশ নেননি।
১২টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম আশরাফ তালুকদার এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোস্তবা জামান।
এছাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুল বাসিত খান পাঁচটি সভায়, ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ নাছিম মিয়া পাঁচটি সভায়, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আউয়াল হোসেন ৪টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাম হোসেন, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মকবুল হোসেন টিপু, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের সারোয়ার হাসান আলো ছয়টি সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
#এসএস/বিবি/২৭ ১০ ২০১৯
Share with others:
Recent Posts
Recently published articles!
-
রাজধানী ডেস্ক, বিবি
-
শেয়ারবাজার ডেস্ক, বিবি
-
জাতীয় ডেস্ক, বিবি
-
শেয়ারবাজার ডেস্ক, বিবি
-
পর্যটন ডেস্ক, বিবি