বসুন্ধরায় পর্যটন মেলা

বসুন্ধরায় পর্যটন মেলা

রাজধানীতে শুরু হয়েছে  অষ্টম এশীয় পর্যটন মেলা। পর্যটকদের আকৃষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে দেশে টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) অর্জনের জন্য এ মেলায় আয়োজন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে  তিন দিনব্যাপী এশীয় পর্যটন মেলা-২০১৯  উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠনে তিনি বলেন, “আমাদের দেশে যে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তাতে সকল খাতকেই অবদান রাখতে হবে।”

বিদেশ ভ্রমণের আগে নিজের দেশের  ‘অপরূপ সৌন্দর্য  আবিষ্কার’ করতে দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে মাহবুব আলী বলেন, “প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য মণ্ডিত এই বাংলাদেশে এমন অনেক পর্যটন বৈশিষ্ট রয়েছে যা পৃথিবীর আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।”

মেলায় আসা বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের পর্যটন এলাকাগুলোকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, সুন্দরবন, সিলেটের চা বাগান এবং তিন পার্বত্য জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য় এই মেলায় অংশগ্রহণকারী এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর পর্যটকদের কাছে তুলে ধরুন।”

দেশে পর্যটন খাতের প্রসারে ব্যক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসায় গুরুত্ব দিয়ে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ পেলে এই শিল্পে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রুপ দিতে প্রাইভেট সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে।”

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক বলেন,  “বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প দেশি ও বিদেশি বিশেষ করে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পর্যটকদের মধ্যে আকর্ষনীয় করে তুলে ধরে আঞ্চলিক পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সেতু বন্ধন এ মেলার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।”

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিমসটেক সচিবালয়ের মহসচিব এম শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী ভূবন চন্দ্র বিশ্বাস।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভূটান, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল শপ, থিম পার্ক অংশ নিয়েছে এই পর্যটন মেলায়।
মেলায় মোট ১৫০টি স্টলে থাকছে ভ্রমণকারীদের জন্য আসন্ন পর্যটন মৌসুমে বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের নানা আকর্ষণীয়  ‘অফার’। তাতে থাকছে হোটেল, রিসোর্ট বুকিংসহ নানা ধরনের প্যাকেজে বিশেষ সুবিধা ও ছাড়।

মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য কুড়িল বিশ্ব রোড থেকে মেলা প্রাঙ্গন পর্যন্ত প্রতি ঘন্টায় শাটল বাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এবার মেলায় প্রবেশ মূল্য রাখা হচ্ছে ৩০ টাকা। সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। মেলা শেষ হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।


#এসএস/বিবি/২৮-০৯-২০১৯

ক্যাটেগরী: পর্যটন

ট্যাগ: পর্যটন

পর্যটন ডেস্ক, বিবি রবি, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ ৯:১৭ পূর্বাহ্ন

Comments (Total 0)